নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহ আলমকে তাঁর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালের বকেয়া সম্মানী ভাতা গ্রহণের জন্য চিঠি দিয়েছে বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ।

জানা গেছে, মোহাম্মদ শাহ আলম চেয়ারম্যান থাকাকালে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের প্রায় দেড় বছরের সম্মানী ভাতা বকেয়া ছিল। ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি পরাজিত হওয়ার পর বকেয়া ভাতা পরিশোধ না করেই দায়িত্ব বর্তমান চেয়ারম্যান এস. এম. ইমরুল কায়েস চৌধুরীর কাছে হস্তান্তর করেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী পর্যায়ক্রমে আগের পরিষদের সদস্যদের বকেয়া ভাতা পরিশোধ করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় এবার সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহ আলমকেও তাঁর প্রাপ্য বকেয়া সম্মানী ভাতা গ্রহণের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

গত ২৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে চেয়ারম্যান এস. এম. ইমরুল কায়েস চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মোহাম্মদ শাহ আলমের সম্মানী বাবদ ইউনিয়ন পরিষদের অংশের যে বকেয়া রয়েছে, তা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তার কাছ থেকে গ্রহণ করার জন্য তাঁকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এর আগে চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক দুই প্রয়াত ইউপি সদস্য—ফজলুল করিম সওদাগর ও আলী মিয়ার জীবদ্দশায় তাদের বকেয়া সম্মানী ভাতা পরিশোধ করেন। এছাড়া আগের পরিষদের অন্যান্য সদস্যদের বকেয়া ভাতাও পর্যায়ক্রমে পরিশোধ করা হয়েছে। বর্তমানে দুইজন সাবেক ইউপি সদস্যের বকেয়া ভাতার আংশিক অর্থ পরিশোধ বাকি রয়েছে, যা চলতি মাসের মধ্যেই পরিশোধ করা হবে বলে জানা গেছে।

হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য সামশুল আলম জানান, দায়িত্ব পালনকালে তাঁর শেষ দেড় বছরের সম্মানী ভাতা বকেয়া ছিল। বর্তমান চেয়ারম্যান এস. এম. ইমরুল কায়েস চৌধুরী দুই কিস্তিতে তাঁর সেই বকেয়া ভাতা পরিশোধ করেছেন।

হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের সচিব জাফর আলম বলেন, চেয়ারম্যানের নির্দেশনায় ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব তহবিল থেকে আগের পরিষদের সদস্যদের বকেয়া সম্মানী ভাতা পর্যায়ক্রমে পরিশোধ করা হচ্ছে। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদের কোনো সদস্যের সম্মানী ভাতা বকেয়া নেই।